Our Story
১৯৬১ সাল (সেপ্টেম্বর): গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬৪ সাল: এই স্কুলের প্রথম ব্যাচ এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
১৯৭৫ সাল: প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১৯৬৫ ব্যাচের শহিদুল্লাহ খান বাদলকে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। খন্দকার কামরুজ্জামান সংগঠনের নাম প্রস্তাব করেন AGLHSES (Association of Government Laboratory High School Ex-Students)। এই বছরেই প্রথম প্রাক্তন ছাত্র পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়।
১৯৮৪ সাল: স্কুল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী সংগঠনের দ্বিতীয় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮৮ সাল: দেশব্যাপী প্রচারণার মাধ্যমে তৃতীয় পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। এই বছর নতুন কমিটি গঠিত হয়, যেখানে সভাপতি হিসেবে শহিদুল্লাহ খান বাদল এবং মহাসচিব হিসেবে মাসুদ মান্নান দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৮শে মে ঢাকার শেরাটন হোটেলে চতুর্থ পুনর্মিলনী এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার তিন যুগ পূর্তির অনুষ্ঠান পালিত হয়।
২০০০ সাল (এপ্রিল): ১৯৭১ ব্যাচের তৌফিক মোহাম্মদ সিরাজের আহ্বানে শেলটেক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে OLsA (Old Laboratorians Association) রাখা হয়।
২০০০ সাল (জুলাই): বেল (BEL) টাওয়ারে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী সভায় নতুন কমিটির সুপারিশকৃত খসড়া গঠনতন্ত্র গৃহীত হয়।
২০০২ সাল: বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রাক্তন ছাত্রদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
২০১০ সাল: দীর্ঘ সময় শহিদুল্লাহ খান বাদলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর, নূরুল কবীর (কনা) ওলসার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০১১ সাল: নূরুল কবীর (প্রেসিডেন্ট) এবং আরশাদ মুর্শেদী পিপলুর (সেক্রেটারী জেনারেল) নেতৃত্বে একটি অত্যন্ত সফল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৫ - ২০১৯ সাল: আসিফুল হক একটি টার্ম ওলসার সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে ১৯৭৩ ব্যাচের ড. আব্দুল মোমেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০২০ সাল: বার্ষিক সাধারণ সভার মাধ্যমে ১৯৬৯ ব্যাচের মোসাদ্দেক আহমেদ সিদ্দিকী ওলসার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৯১ ব্যাচের রাশেদুল করিম রুবেল মহাসচিব (সেক্রেটারী জেনারেল) পদে অভিষিক্ত হন।
২০২২ সাল: স্বপ্নপুরীতে বার্ষিক বনভোজন এবং ঢাকা ক্লাবে বার্ষিক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং ২০২২ সালের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলতে থাকে। (কোভিডকালীন সময়েও সংগঠনটি দরিদ্র মানুষদের আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছিল)।